যদি আপনি একটি পুরো সূরা পড়তে চান, তবে এই ছোট সূরাগুলো সবচেয়ে সহজ। এক রাকাতে এর যেকোনো একটি সূরা পড়লেই কিরাত সম্পন্ন হবে।
- সূরা আল-কাউসার — ৩টি আয়াত
- সূরা আন-নাসর — ৩টি আয়াত
- সূরা আল-আসর — ৩টি আয়াত
- সূরা আল-ইখলাস — ৪টি আয়াত
- সূরা কুরাইশ — ৪টি আয়াত
- সূরা আল-ফীল — ৫টি আয়াত
- সূরা আল-ফালাক — ৫টি আয়াত
- সূরা আল-কাফিরুন — ৬টি আয়াত
- সূরা আন-নাস — ৬টি আয়াত
- সূরা আল-মাউন — ৭টি আয়াত
সব গুলা সূরা পড়তে: ক্লিক করুন
সূরা ফাতিহার পর কোরআনের ১১৪টি সূরার যেকোনোটি থেকেই পড়া যায়। তবে নামাজের ওয়াজিব আদায়ের জন্য অন্তত একটি ছোট সূরা অথবা বড় একটি আয়াত অথবা ছোট অন্তত তিনটি আয়াত পড়া আবশ্যক। উপরের তালিকায় থাকা যেকোনো একটি সূরা এক রাকাতে পড়লে আপনার নামাজের কিরাত পূর্ণ হয়ে যাবে।
আপনার যদি পুরো সূরা মুখস্থ না থাকে, তবে বড় সূরা থেকে নিচের এই ৩টি করে আয়াতের সেট পড়তে পারেন। এক রাকাতে এই তিনটি আয়াত একসাথে পড়লে আপনার কিরাত সম্পন্ন হবে।
- সূরা বাকারা থেকে ৩টি সহজ আয়াত
ওয়াইলাহুকুম ইলাহুওঁ ওয়াহিদ (আর তোমাদের ইলাহ কেবল এক ইলাহ)।
লা ইলাহা ইল্লা হুওয়ার রাহমানুর রাহিম (তিনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই, তিনি পরম দয়াময়, অতি দয়ালু)।
ইন্না ফী খালকিস সামাওয়াতি ওয়াল আরদ (নিশ্চয়ই আসমান ও জমিন সৃষ্টিতে নিদর্শন রয়েছে)।
- সূরা বনী ইসরাইল থেকে ৩টি আয়াত
ওয়াকুলিল হামদুলিল্লাহিল্লাযী লাম ইয়াত্তাখিয ওয়ালাদাওঁ (বলুন, সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর যিনি কোনো সন্তান গ্রহণ করেননি)।
ওয়ালাম ইয়াকুল্লাহু শারীকুন ফিল মুলকি (যার রাজত্বে কোনো শরিক নেই)।
ওয়ালাম ইয়াকুল্লাহু ওয়ালিয়্যুম মিনায যুল্লি ওয়া কাব্বিরহু তাকবীরা (যিনি অসহায় নন যে তাঁর কোনো সাহায্যকারীর প্রয়োজন হবে; এবং তাঁর সগৌরব মহিমা ঘোষণা করুন)।
